কুয়েতের সৌন্দয্য রক্ষার্থে ক্লিনিং কম্পানির জন্য নতুন আইন পাশ করেছে পরিবেশ মন্ত্রণালয়

কুয়েতের সৌন্দয্য রক্ষার্থে ক্লিনিং কম্পানির জন্য নতুন আইন পাশ করেছে পরিবেশ মন্ত্রণালয়, মন্ত্রণালয় থেকে জানায় যে ক্লিনিং কম্পানির কিছু লোক পার্কিংয়ে, কুয়েতের ব্যাস্ত তম রাস্তায়, সিগন্যাল গুলোতে ভিক্ষা করার মত অপরাধ করে।

২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ রোজ রবিবার কুয়েতের বিভিন্ন যায়গায় সরাশি অভিজান চালিয়ে ৫১ জন ক্লিনিং কম্পানির লোক আটক করে, দেশে পাঠিয়ে দেয়ার জন্য কুয়েতের সফর মকফরে প্রেরণ করেছে।

যে লোক গুলো ধরা পরেছে তারা আব্দুলহামিদ, মারাফি,ওয়েল আল নসি, তানজিফকো, আল সাফা কম্পানির লোক বলে জানা গেছে। ইতিমধ্যে ছয়জন কে বুধবার দেশে পাঠান হয়েছে।

নিন্মে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের কানুন গুলো উল্লেখ করা হলোঃ

সকাল ৭ টার পরে যে জায়গাগুলো তে ক্লিনিং কম্পানির লোকেরা কোন কারণ ছাড়া যাওয়া নিষেধ।

১/ ট্রাফিক সিগন্যাল।
(অভিযোগ রয়েছে যে সিগন্যাল এর লাল বাতি জল্লেই কিছু মানুষ সেখানে অযথাই পরিস্কার করা শুরু করে)
২/ প্রধানসড়ক (মেইনরোড)
(অভিযোগ রয়েছে যে সকাল ৭ টার আগে সবাই মিলে রাস্তা পরিস্কার করলেও কিছু কিছু লোক সেখানে গিয়ে পূনরায় পরিস্কার করা শুরু করে কোন কুয়েতির গাড়ি দেখলে)
৩/জামিয়া বা মারকেটের গাড়ির পারকিংয়ের সামনে।
(অভিযোগ রয়েছে যে জামিয়া থেকে কুয়েতিরা বাজার করে বাসায় যাওয়ার সময় তাদের গাড়ির সামনে গিয়ে পরিস্কার করা শুরু করে, যদিও এগুলো আগে থেকেই পরিস্কার ছিল)
৪/ স্কুল চলা কালিন অবস্থায় স্কুলের সামনে।
(অভিযোগ রয়েছে যে স্কুলে ছুটি হলে স্কুলের সামনে পরিস্কার করতে থাকা, যদিও এই কাজ সকাল ৭ টার আগে করার কথা।

উল্লেখ্য এই যে কুয়েতে ক্লিনিং কম্পানিগুলোর মধ্যে সবাই এই কাজ করে না, কিছু কিছু অসাধু ব্যাক্তির জন্য আজকে কুয়েতে সকল বাংলাদেশী প্রবাসীদের এই সকল কথা শুনতে হয়।
আবার অনেক সময় কাজ করার সময় অনেক ভাল কুয়েতি আছে যে তাদের ডেকে কুয়েতি দিনার, জুস, পানি ইত্যাদি দিয়ে থাকেন, এগুলো ভিক্ষা বা অপরাধের মধ্যে পরে না।

বিদ্রঃ আমার এই পোস্টে কাওকে ছোট করার জন্য বা অপমান করার জন্য লিখা হয়নি, এখানে কুয়েতের বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে। কুয়েতের আইনের প্রতি আমাদের সবাইকে শ্রদ্ধা করা উচিত, ৭/৮ লাখ টাকা খরচ করে এসে যদি সামান্য ভুলের কারনে চলে যেতে হয় তাহলে আপনারাই সমস্যায় পরবেন।

Related News

Add Comment