• মন্তব্য
Close

    কুয়েত থেকে যে কোন প্রবাসীর মৃত দেহ বাংলাদেশে পাঠাতে করনীয় ?

    কুয়েতে যে কোন কারনে বাংলাদেশী প্রবাসী যদি মারা যায় তাহলে মৃত দেহ পাঠানো নিয়ে কোন ধরণের চিন্তা না করে সরাসরি বাংলাদেশ দূতালয়ে যোগাযোগ করলেই দূতাবাসের কর্মকর্তারা খুব সহজেই কুয়েতের আইনে ও বাংলাদেশের কাগজপত্র অনুসারে মৃত দেহ পাঠিয়ে থাকে, অনেকেই এটা নিয়ে গুজব ছরাচ্ছে যে দূতাবাস থেকে কোন ধরণের সাহায্য করে না, যদি কুয়েত দূতাবাস লাশ পাঠাতে কোন ধরণের সমস্যা করে তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করার আহবান যানাচ্ছি, ইনশাল্লাহ আপনাদের দোয়ায় আমরা দূতাবাসের মাধ্যমেই লাশ পাঠানোর ব্যাবস্থা করবো।

    বাংলাদেশ দূতাবাসের সাথে যোগাযোগের ঠিকানাঃ
    ঠিকানাঃ মিসিলা, ব্লক – ৭ রোড নংঃ ১৬ বাড়ীঃ ৯১ ও ৯৩
    টেলিফোনঃ 23900913

    Kuwait Page For Bangladeshi পেইজের সাথে যেভাবে যোগাযোগ করবেনঃ
    পেইজ লিংকঃ https://www.facebook.com/kuwaitpagebd/

    প্রবাসে মৃত কর্মীর মৃত্যুর সংবাদ এবং লাশ দেশে আনা : প্রবাসে কেহ মৃত্যুবরণ  করলে  প্রবাসী  কর্মীদের মৃত্যু সংবাদ তার  পরিবারকে  জানানো এবং মৃতের  লাশ  আনা হবে কিনা তার মতামতসহ তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত করে জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো,৮৯/২,কাকরাইল, ঢাকা প্রেরণ করা হয়।সরকার নিজ খরচে সংশ্লিষ্ট দেশ থেকে লাশ আনার ব্যবস্থা করেন।দেশের ০৩(তিন)টি বিমান বন্দর  (১। হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দর ২। সিলেট ওসমানী আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দর   ৩। চট্রগ্রাম শাহ আমানত আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দর ) দিয়ে  মৃতের  লাশ  দেশে আনা হয়। মৃতের পরিবারকে লাশ হস্তান্তর করার সাথে সাথে ‘লাশ পরিবহণ ও দাফন খরচ বাবদ ‘ ৩৫,০০০/-(পঁয়ত্রিশ হাজার )টাকার চেক প্রদান করা হয়।  

    ০৬।  প্রবাসে মৃত কর্মীর পরিবারকে আর্থিক অনুদান :

    ক) লাশ পরিবহণ ও দাফন খরচ বাবদ : মৃতের পরিবারকে বিমান বন্দরে মৃতের লাশ হস্তান্তর করার সাথে সাথে ‘লাশ পরিবহণ ও দাফন খরচ বাবদ ‘ ৩৫,০০০/-(পঁয়ত্রিশ হাজার )টাকার চেক প্রদান করা হয়।   

    ##  বিমানবন্দর হতে  মৃতের লাশ  গ্রহণের ক্ষেত্র :

    01। জাতীয় পরিচয়পত্র।০২। 
    ০২(দুই) কপি পাসপোর্ট সাইজের সকল ওয়ারিশদের ছবি চেয়ারম্যান কর্তৃক সত্যায়িত এবং ডিইএমও প্রধান  কর্তৃক সত্যায়িত।
    ০৩। পরিবারের সদস্য সনদপত্র (ইউপি চেয়ারম্যান/পৌরসভার মেয়র/ সিটি করর্পোরেশনের কাউন্সেলর)।

     খ) আর্থিক  অনুদান :  লাশ পরিবহণ ও দাফন খরচ বাবদ চেক প্রাপ্তির পর মৃতের পরিবার জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি  অফিস, সিরাজগঞ্জে আবেদন করলে   উক্ত আবেদন মহাপরিচালক, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড, প্রবাসী কল্যাণ ভবন, ৭১-৭২, পুরাতন এলিফ্যান্ট রোড, ইস্কাটন গার্ডেন, ঢাকা প্রেরণ করলে বৈধভাবে বিদেশ গমনকারী মৃত কর্মীর পরিবারকে ৩,০০,০০০/-(তিন লক্ষ) টাকার ‘আর্থিক অনুদান’এর চেক প্রদান করা হয়।আর্থিক অনুদান  ২,০০,০০০/-(দুই লক্ষ) টাকার  স্থলে  ৩,০০,০০০/- (তিন লক্ষ) টাকা  পুন:নির্ধারন  করা  হয় ।  ০১/০৪/২০১৩ খ্রি:  তারিখ  হতে পরবর্তী  সময়ে   মৃত্যুবরণকারী প্রবাসী কর্মীদের ওয়ারিশগণ এই আর্থিক অনুদান প্রাপ্য হবেন।

    গ)  মৃতের পরিবারকে ৩,০০,০০০/=(তিন লক্ষ) টাকা আর্থিক অনুদান পাওয়ার ক্ষেত্র প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

    01।   ডিইএমও কর্তৃক তদন্ত প্রতিবেদন। 
    ০২।   মৃতের পাসপোর্টের ফটোকপি/ বাংলাদেশ হাই কমশিনের প্রত্যয়ন পত্র/ মৃত্যুর সনদ এর সত্যায়িত ফটোকপি।
    ০৩।   অর্থ গ্রহণ কারী ব্যাংক হিসাব নম্বরের বিষয়ে সংশ্লষ্টি ব্যাংকের প্রত্যয়নপত্র/ ব্যাংক ষ্ট্যাটমেন্টের মূলকপি।                                            
    ০৫।   ৪০০/=(চারশত)টাকা নন-জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে দায়মুক্তি সনদ। যাহা স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান/ ওয়ার্ড কমিশনার  কর্তৃক স্বাক্ষরিত এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট/ উপজেলা র্নিবাহী কর্মকর্তা কর্তৃক স্বাক্ষরিত।
    ০৭।    পরিবারের প্রত্যেক সদস্যে চেয়ারম্যান কর্তৃক সত্যায়িত ১(এক)কপি ছবি এবং সহকারী পরিচালক, জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস কর্তৃক সত্যায়িত ১(এক)কপি রংগিন ছবি।

    গ) আর্থিক ক্ষতিপূরণ ,ইন্স্যুরেন্স ও বকেয়া পাওনা : লাশ পরিবহণ ও দাফন খরচ বাবদ চেক প্রাপ্তির পর  বিদেশে বৈধভাবে গমন কর্মীর মৃত্যুজনিত নথিপত্র  বিমান বন্দর হতে   মহাপরিচালক, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড, প্রবাসী কল্যাণ ভবন, ৭১-৭২, পুরাতন এলিফ্যান্ট রোড, ইস্কাটন গার্ডেন, ঢাকা প্রেরণ করলে  সংশ্লিষ্ট দেশস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে প্রবাসে মৃত কর্মীর মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ/বকেয়া বেতন/ ইন্স্যুরেন্স/ সার্ভিস বেনিফিট আদায় এবং ওয়ারিশদের নিকট বিতরণ করা।

    **   প্রবাসে মৃত কর্মীর মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ/বকেয়া বেতন/ ইন্স্যুরেন্স/ সার্ভিস বেনিফিট আদায়ের ক্ষেত্রে:

    ০১।   মৃতের স্ত্রীর আবেদনপত্র।
     ০২।   ডেথ সনদ।       
    ০৩।   দূতাবাস সনদ।                                                      
    ০৪।   পাসপোর্টের ফটোকপি।
    ০৫।  নোটারি পাবলিক কর্তৃক নোটারাইজড জেনারেল পাওয়ার অব অ্যার্টনি।
    ০৬।  নোটারি পাবলিক কর্তৃক নোটারাইজড লিগাল হেয়ারশিপ সার্টিফিকেট।
    ০৭।  নোটারি পাবলিক কর্তৃক নোটারাইজড  গার্ডিয়ানশিপ সার্টিফিকেট।
    ০৮।  ইঊপি চেয়ারম্যান কর্তৃক ইংরেজীতে ওয়ারিশ সনদ।
    ০৫।   অন্যান্য কাগজপত্র।

    সুত্রঃ জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস