Close

    ১৮ নাম্বার আহলি ভিসা

    কুয়েতের ১৮ নাম্বার আহলি ভিসা সম্পর্কে বিস্তারিতঃ

    আহলি ভিসা হচ্ছে একটি প্রাইভেট কম্পানির ভিসা, এই ভিসা কুয়েতের বিবিন্ন দোকান, রেস্টুরেন্ট, কফি শপ, ডেলিভারি কম্পানি (ডেলিভারি কম্পানিও আকদ হুকুমার হয়) কনফেকশনারি, ইত্যাদি ছোট ছোট বিজনেস সেন্টারের ভিসা গুলো আহলি ভিসা হয়।

    এই ভিসার দাম নরমালি ৭/৮ লাখ টাকা নিয়ে থাকে কিন্তু এই ভিসা প্রোসেসিং করতে লাগে মাত্র ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা, টোটাল বিমান টিকেট মেডিকেল ইত্যাদি খরচ মিলিয়ে এর দাম হয় দের হতে দুই লাখ টাকা।

    কিন্তু দালালেরা এই ভিসার দাম ৭/৮ লাখ টাকার বেসি নিয়ে থাকে।

    এই ভিসায় কুয়েত এসে কি কাজ করা যাবেঃ

    আসলে এই ভিসায় আপনি যেই কম্পানিতে আসবেন ঠিক সেই কম্পানিতেই কাজ করার নিয়ম, কিন্তু অনেক কম্পানি আছে এই ভিসার কোটা গুলো বিক্রি করে দেয় এবং বাহিরে কাজ করতে বলে এবং বছরে বছরে আকামা লাগিয়ে টাকা নেয়, যেটা কুয়েতের আইনে সম্পুর্ণ অবৈধ, এবং আপনি যদি কম্পানি ছাড়া অন্য কোথাও কাজ করেন আর যদি পুলিশ বা শোন আপনাকে ধরে তাহলে আপনাকে জরিমানা অথবা দেশে প্রেরণ করে দিবে।

    কিছু দালাল বলে এগুলো ফ্রি ভিসা, আসলে ফ্রি ভিসা বলতে কুয়েতে কোন ভিসাই নেই, যেই কম্পনি গুলো ভিসা বিক্রি করে দিয়ে বাহিরে কাজ করতে দেয় সেই গুলোকেই ফ্রি ভিসা বলে এবং আপনি এই ভিসায় কম্পানি থেকে বেশি বিপদে পরবেন এই ভিসায়।

    তবে আসার কথা হলো এই পর্যন্ত কুয়েতে খুব কম লোক এই ভিসায় বাহিরে কাজ করে ধরা খেয়ে দেশে গেছে।

    এই ভিসায় আপনি কুয়েতে কি কি ক্যাটাগরির কাজ করতে পারবেনঃ

    এই ভিসায় আপনি দোকানে, কনফেকশনারি তে, মোবাইল শপে, ড্রাইভার ভিসা হলে ড্রাইভারে, কফি শপে, রেস্তোরাঁয়, আবাসিক ও অনাবাসিক হোটেলে, নিজে চাইলে যে কোন কম্পানি খুলতে পারবেন, চাইলে নিজেই একটি দোকান দিতে পারবেন, আসলে এই ভিসার খুব স্বাধিনতা আছে যেগুলো অন্য কোন ভিসায় নেই।

    এই ভিসায় ট্রান্সফার হওয়া যায়?

    আসলে এই ভিসায় ট্রান্সফার খুব একটা জটিল বিষয় নয়, আপনি চাইলে কম্পানির মালিক কে রাজি করিয়ে যে কোন সময় ট্রান্সফার হতে পারবেন, আর যদি কম্পানি না দেয় তাহলে ১ বা ২ বছরের কনট্রাক্ট শেষ হলে হলে মালিক বা কম্পানি না দিলেও একটি সাধারন মামলা করে ট্রান্সফার হতে পারবেন, এই ভিসায় যে কোন কম্পানির সাথে আপনার চুক্তি ১ বা ২ বছরের হয় যেগুলো অন্য কোন ভিসায় হয় না।

    এই ভিসায় কাজ করলে বেতন কত পাওয়া যাবেঃ

    আসলে যদি আপনি এক কম্পানিতেই কাজ করেন তাহলে আপনাকে ভিসা দেয়ার সময় যেই বেতন নির্ধারন করা হয়েছিল তাই পাবেন, আর যদি আপনার কোন কাজের অভিজ্ঞতা থাকে আর বাহিরে কাজ করার সুযোগ পান তাহলে যে কোন কম্পানি আপনাকে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা বেতন পাবেন।

    আপনি যদি কোন কাজের উপর ডিগ্রি করে থাকেন অথবা শিক্ষিত হোন তাহলে কুয়েতে অনেক কম্পানিতে বিবিন্ন পদে কাজ করে মাসে ১ থেকে ২ লাখ টাকাও ইনকাম করতে পারেন, সবকিছুই ভাগ্যের উপর নির্ভর করে।

    আহলি ভিসা সম্পর্কিত বিস্তারিত যতটুকু আমার জানা আছে আমি জানালাম, যদি আরো কোন বিষয় বাদ পরে জায় আমাকে অবহিত করার অনুরোধ করছি।

    কপিরাইট © নুর আলম বাছার

    ই-মেইলঃ nabalok2004@gmail.com