জিলিব আল শুয়েখ যেন কুয়েত সরকারের মাথা ব্যথা!!

জিলিব আল শুয়েখ সরকারী সংস্থা গুলোর দীর্ঘস্থায়ী মাথা ব্যাথায় পরিনত হয়েছে….

আলকাবাসের টুইট বার্তা থেকে-
জর্জরিত বিভিন্ন সমস্যার কারনেই জিলিব আল শুয়েখ এখন বিস্তৃত এলাকাতে পরিনত। মিডিয়া গুলো সেখানে বারবার যাওয়ে সত্বেও এলাকাটি আইনের বাহিরে। কয়েদিন বা কয়েক মাস অভিযান চালানোর পরেও এলাকাটি আবার ফিরে বিশৃঙ্খলা এবং গড়ে ওঠে ভাসমান বাজার।

আল কাবাস রিপোর্ট করে যে- গতো দুই দিন ধরে এই এলাকার অভ্যান্তরে উপচে পড়া ভিড় এবং সব কিছুরই মিশ্রন দেখতে পায়। সংশিলিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ গ্রহন না করলে তা স্বাস্থ্য বিপর্যয়ের মারত্মক হুমকি রয়েছে।

জিলিব আল শুয়েখের আশে পাশের অধিকাংশই রয়েছে প্রবাসীদের আবাসস্থল এবং গড়ে উঠেছে নানা ভাসমান রকম বাজার। আল কাবাস থেকে জানানো হয় এই এলাকাটিকে যেনো কঠোর নজরদারীতে আনা হয়। প্রয়োজনে বলদিয়া এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয় ছাড়াও নিরাপত্তা বাহিনিরা টহল দিবে।

আল কাবাসের মিডিয়া রিপোর্টারদের দেখে সেখানে কাজ করা শ্রমিক,ক্রেতা,বিক্রেতা,কমিটি,গ্যাং বা স্কোয়াড থাকা ব্যাক্তিরা বিভিন্ন বাড়িতে বা গুদামে পালিয়ে যায় আত্মগোপনের জন্য।

করোনার মহামারীতে জিলিব শুয়েখ অঞ্চলে বসবাসকৃত অনেকের কাজ বন্ধ হওয়ে যাওয়ার ফলে তারা রাস্তার ধারে ভাসমান দোকান গুলতে যায় এবং সেখান থেকে পন্য ক্রয় করে অন্যথায় বিক্রি করে।
এক কথায় জিলিব আল শুখের রাস্তাগুলো এক বৃহৎ উন্মুক্ত হাট বাজারে পরিনিত হয়েছে।

জিলিব আল শুয়েখের অভ্যান্তরের অলি গলিতে চোখে পড়ার মতো দোকানপাট রয়েছে যা অনেকাংশেই সৃষ্টি করে যানজটের পোহাতে হয় ভোগান্তি। আলকাবাসের প্রতিনিধিরা আরো লক্ষ্য করতে পারে যে সেখানে প্রায় সব ধরনের শাক সব্জি,মাছ, ফলমূল, জামা কাপড় ইত্যাদি ইত্যাদি নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য কম দামে বিক্রি করা হয়। তাইতো সেখানে উপস্থিত হয় সকল জাতীয়তার ব্যাক্তিবর্গ। তারা আরো উল্লেখ্য করে যে- মানুষের ব্যবহারের উপযোগী নয় এমন পন্য দ্বারা তারা বানিজ্য করছে যা মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝূকি।

প্রতিবেদনটিতে আরো বলা হয় যে- এই জিলিব বাজারের আকর্ষন হলো “সাশ্রয়ী” মূল্যের কারন। বিক্রেতারা বিভিন্ন হারেজ থেকে পুরাতন বা নষ্ট কাপড় জুতা পাইকারি ভাবে ক্রয় করে এখানে এনে বিক্রি করে। বিভিন্ন ব্রান্ডে জুতা,পোশাক,মোবাইল,ইলেকট্রিক জন্ত্রপাতি বা বিভন্ন আসভাব পত্রগুলো কম দামে বিক্রি করে। মানে বিক্রেতারা পন্যের মান এবং কোয়ালিটি দেখে তা অর্ধেক দামে বিক্রি করে দেয়। আর যে জুতা গুলো বিক্রি করে তা বিক্রয়ের আগে মুচি দ্বারা মেরামত করে নেয়। এক কথায় বর্ননা অনুসারে বিক্রেতাদের একটা ভালো লাভ্যঅংশ থাকে এখানে।

আল কাবাস দ্বারা সেখানকার আরো ৭ টি পয়েন্ট উঠে আসে-

১-একজন শ্রমিক বিভিন্ন ময়লার চৌকাতে খাবার বা কাপড় খুজে।

২- পুরাতন জুতা পূনরায় বিক্রি করার জন্য একজন মুচি তা মেরামত করে।

৩- কিছু কিছু লোক সেখানকার বিক্রেতারদের কাছে ইলেক্ট্রিক পন্য এবং কাপড়-চোপড়, এছাড়াও অন্যন্য পন্যগুলো সরবারহ করে।

৪- আধুনিক মোবাইল বা ইলেক্ট্রিক পন্য গুলো কম দামে বিক্রি করে।

৫- কুয়েতের ভর্তুকিযুক্ত (রেশন) জাতীয় পন্য এলোমেলো ভাবে বিক্রি করে। (যা অবৈধ)

৬- জনাকীর্ণ অসচেতনা বৃদ্ধির সাথে সাথে স্বাস্থ্য ঝূকিও বাড়ছে প্রতিনিয়ত।

৭- পরিশেষে, জিলিব আল শুয়েখ এড়িয়াতে বসবাসকৃত কুয়েতি নাগরিকরা অভিযোগ করে বলে এখানে ক্যাম্পিং / ফাঁড়ি’র প্রয়োজন। এ ব্যপারে সরকারকে ব্যাবস্থা নেওয়ার জোড় দাবি জানান।

সুত্রঃ আল-কাবাস

Related News

Add Comment