প্রবাসে কেমন বাংলাদেশী নারীরা?

সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে, আমাদের অর্থনীতি হু হু করে বেড়ে চলেছে, আলহামদুলিল্লাহ! বাংলাদেশের নারী – পুরুষ যেভাবে আমাদের গার্মেন্টস খাতকে দাড় করিয়ে দিয়েছে, এই শ্রমের মজুরি শোধ অযোগ্য! দেশ ও জাতি এই শ্রমিকদের কাছে অবশ্যই ঋনী! বাংলাদেশের অর্থনীতিতে “রেমিট্যান্স ” যে কত বড় ভুমিকা রেখে চলেছে, তা সর্বজনীনভাবে স্বীকৃত! আমাদের দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও রাষ্ট্রের কলকব্জা ঠিক রাখতে চালিকা শক্তি মুলত “প্রবাসী আয় “! দেশের সংসদে আজ ” নারী শ্রমিক ” নিয়ে হৈ চৈ হয়েছে, নারী শ্রমিক বিদেশে পাঠানো ব্যান ( নিষেধাজ্ঞা) চাচ্ছে!

আমাদের কথা হচ্ছে, ব্যান বা নারী শ্রমিক পাঠানো বন্ধ করে দেওয়া সমাধান না! সমন্বিত উদ্যোগ নিলে বা ভারত ও ফিলিপাইন দুতাবাসের মত আমাদের দুতাবাস ও যদি নারী শ্রমিকদের ব্যাপারে তদারকি জোরদার করে, তাহলে বহুলাংশে নির্যাতনের ঘটনাগুলি হ্রাস পাবে!

* মিডিয়ার অতি রসিয়ে লেখার প্রবনতা আছে!

* সরকার টু সরকার পর্যায়ে নিয়মিত অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষায় সামিট করা!

* নির্যাতনের ঘটনা যেসব দেশে বেশী হয়, অইসব দেশে টোটালি নারী শ্রমিক পাঠানো ব্যান করা উচিৎ ( ফিলিপাইন ও শ্রীলঙ্কার মত)!

* দক্ষতা বাড়াতে দেশে পর্যাপ্ত ট্রেনিং প্রদান!

*গৃহস্থালি ও ভাষার উপরে প্রশিক্ষণের উপরে জোর দেওয়া!

*অভিবাসন ব্যয় সর্বনিম্ন করা!

আপাদমস্তক লিখতে গেলে, বলতে হয় পুরো সিস্টেমেরই “পোস্টমোর্টেম ” করা জরুরী! আরেকটি কথা না বললেই নই, মধ্যপ্রাচ্যের ইউএই, কুয়েত, কাতারে নারী শ্রমিক সংশ্লিষ্ট দেশের সরকার গুলোই “ব্যান ” করে রেখেছে, এমতাবস্থায় যদি দেশে আমরা নিজেরাই “নিষেধাজ্ঞা ” আনয়ন করি, তা নেহাত বোকামী হবে এবং বড় একটি শ্রমবাজার বিনা প্রতিযোগিতায় অন্যদের ছেড়ে দেওয়া হবে!

ইকরাম হোছাইন, কুয়েত! এডমিন ” bangladeshi in Kuwait ” group

Related News

Add Comment