বাংলাদেশে আটকেপড়া কুয়েত প্রবাসীদের কি হবে?

কুয়েত সিটি : বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি প্রবাসী শ্রমিকদের কষ্টার্জিত রেমিট্যান্স! কস্টের কথা হলেও সত্য, দেশে প্রবাসীদের নিয়ে একশ্রেণীর খুব বেশি “এলার্জি ” লক্ষনীয়! বাংলাদেশের প্রবাসীদের সার্বিক সুবিধা দিয়ে একটা জাতীয় ” সিস্টেমে ” আনা গেলে, আমাদের প্রবাসীদের নাগরিক সেবা উন্নত হত, পাশাপাশি বাংলাদেশে প্রেরিত রেমিট্যান্স ও বহুগুনে বেড়ে যেত! যাক, এইসব কথা বাতুলতা, যারা ভাবার কথা, এরা সম্ভবত চিন্তায় ও আনেনা এইসব!

করনা কালীন মধ্যপ্রাচ্য অনেক দেশই নাজুক অবস্থায় পড়ে গেছে! অভিবাসী অধ্যুষিত এইসব দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রমে স্থবিরতা লক্ষনীয়! কাতার আর কুয়েত ছাড়া, মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশ গুলো এখনো আগের মতোই করনা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে!

কুয়েতে মতভেদে প্রায় ৩ লাখের বেশি বাংলাদেশী বসবাস করে! কুয়েতে বসবাসকারী কমিউনিটির ভিতরে বাংলাদেশী ৩ নাম্বারে আছে বাংলাদেশের নাম! ব্যবসা, চাকরি, অন্যান্য ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মানুষ কুয়েতে এখানে যোগ্যতার প্রমান দিয়েছে !

সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা প্রবাহে, বাংলাদেশের নাম কলংকিত হয়েছে! জাতি হিসাবে আমরা হয়েছি নিচু, ও লজ্জিত! আমাদের পায়ের নিচের মাটি গরম হয়ে গেছে কুয়েতে,দাঁড়ানো যাচ্ছে না অবস্থা! হত্যাকাণ্ড ও ভিসা ট্রেডিং, কোথায় নেই আমরা? তিলে তিলে গড়ে তোলা সম্মান আমরা ধুলিসাৎ করে যাচ্ছি প্রতিনিয়তই!

করনার আগে ও করনা পিরিয়ডে বাংলাদেশে ছুটিতে যাওয়া কুয়েত প্রবাসীদের কুয়েতে কর্মজীবনে ফিরতে সরকারি উদ্দ্যোগ প্রয়োজন! অন্যন্য শ্রমিক প্রেরনকারী দেশ বিশেষত ভারত, মিশর, ফিলিপাইন, পাকিস্তান নিজেদের কুটনৈতিক চ্যানেলে যোগাযোগ শুরু করলেও আমাদের এই ধরনের কোন তৎপরতা এখনো চোখে পড়েনি!

নির্দিষ্ট করে বললে, এটা সিস্টেম ই যে, একটা সময়সীমা পার হলে বাংলাদেশের বৈধ অভিবাসীরা ও সফরে থাকাকালীন, অবৈধ তকমা পেয়ে যাবে! এছাড়াও, যাদের ব্যবসা বানিজ্য আছে, এদের কতভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হওয়া লাগছে তা প্রকাশ করা অসম্ভব! এক্ষেত্রে, বাংলাদেশের কুটনীতিকদের কুয়েতের জন্য বিশেষ নজর দিতে হবে!

অভিবাসীরা ভাল থাকলেই, ভাল থাকবে বাংলাদেশ!

Related News

Add Comment