সৌদি আরবের শ্রম মন্ত্রণালয় ঘোষণা দিয়েছে, ১৪ মার্চ ২০২১ থেকে আর প্রচলিত ‘কফিল পদ্ধতি’ থাকবে না। 

আজ ৪ নভেম্বর (বুধবার) সৌদি আরবের মানব সম্পদ মন্ত্রণালয় ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় এর মধ্যে ছোট মোয়াচ্ছাছার শ্রমিকদের নিয়োগ সংক্রান্ত একটি সহযোগিতা চুক্তি সাক্ষর হয়েছে। এ ছাড়াও ‘কফিল পদ্ধতি’উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে। আগামী ১৪ মার্চ ২০২১ থেকে এসব সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। তবে এই সিদ্ধান্ত এখন পর্যন্ত শুধুমাত্র বেসরকারি কোম্পানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। গৃহস্থালি কাজকর্মের সাথে জড়িত শ্রমিকদের (গৃহকর্মী, ড্রাইভার) দের ব্যাপারে এ ব্যাপারে পরে আরো সিদ্ধান্ত আসবে।


এখন প্রশ্ন হচ্ছে ‘কফিল পদ্ধতি’ বাঁ কাফালা প্রথা কী ? কাফালা-এমন এক প্রথা, যেখানে যে কোন প্রবাসীই কোন না কোন সৌদি নাগরিকের নামে থেকে কাজ করবেন । অথবা তার নামেই ব্যবসা করবেন । বিনিময়ে তাকে দেবেন লাভের একটা অংশ প্রতিমাসে । কাফালা প্রথাতে নানাবিধ সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় প্রবাসীদের । অনেক ক্ষেত্রেই সৌদি নাগরিক বা কফিল প্রবাসীর অধিকার বা হক রক্ষা না করে, প্রবাসীর বহুকষ্ট্রে উপার্জিত অর্থ লোপাট করে নিজেই লাভবান হন।

উক্ত চুক্তি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সৌদি আরব মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী সুলাইমান বিন আব্দুল আজিজ। আর উক্ত চুক্তির ফলে কফিল প্রথা আর থাকছে না। এই কফিল প্রথা বাতিলের ফলে প্রবাসীদের অনেক অসুবিধা দূর হবে। এখন থেকে সৌদি আরবে কাজ করতে প্রবাসীদের আর কোন কফিলের দ্বারস্থ হতে হবে না। যার ফলে সে নিজের মতো করে নিজের কাজকর্ম করতে পারবে। ধারণা করা হচ্ছে, যেহেতু ছোট মোয়াচ্ছাছার শ্রমিকরা এখন থেকে সরাসরি মন্ত্রণালয়ের অধীনে থেকে কাজ করবে তাই তাদের যাবতীয় সুযোগসুবিধাও বৃদ্ধি পাবে।


উল্লেখ্য, এর আগে সৌদি মানব সম্পদ মন্ত্রণালয় ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) এক ঘোষণায় জানিয়েছিল, সৌদি আরবে কাফালা প্রথা শীঘ্রই বিলুপ্ত হতে যাচ্ছে । নির্দিষ্ট কোন সৌদির মোয়াচ্ছাছা বা নামে থেকে বাইরে কাজ করা, বা তার নামে ব্যবসা করা, বিনিময়ে ওই সৌদি নাগরিক একটা লভ্যাংশ নেয়া মাসে-মাসে, এ প্রথাটি বিলুপ্ত করতে যাচ্ছে সৌদি মানব সম্পদ মন্ত্রণালয় ।

সূত্রঃ dakghar24.com

Related News

Add Comment